পদ্মায় বাসডুবি: নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫, নিখোঁজ এখনও ৮
- প্রকাশিত: ০১:৩৭:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
- / ১২৮ বার পঠিত
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ দৌলতদিয়া ঘাটে পদ্মা নদীতে বাসডুবির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৫, ৮ জন এখনও নিখোঁজ। উদ্ধারকাজে ফায়ার সার্ভিস, নৌবাহিনী ও স্থানীয়রা অংশ নিচ্ছে।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলা-এর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পদ্মায় যাত্রীবাহী বাসডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনো আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ, তাদের উদ্ধারে ডুবুরি দল ও উদ্ধারকারী ইউনিট কাজ করছে।
ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানান, বুধবার বিকেলে ঘটে যাওয়া দুর্ঘটনায় বাসটি প্রায় ৭০ ফুট গভীরে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১টা ৪০ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। দুর্ঘটনার সময় বাসটিতে আনুমানিক ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন।
উদ্ধার হওয়া মরদেহের মধ্যে রয়েছে:
- রেহেনা আক্তার (৬১), ভবানীপুর, রাজবাড়ী
- মর্জিনা খাতুন (৫৬), কুষ্টিয়া
- রাজীব বিশ্বাস (২৮), কুষ্টিয়া
- জহুরা অন্তি (২৭), রাজবাড়ী
- কাজী সাইফ (৩০), রাজবাড়ী
- মর্জিনা আক্তার (৩২), চর বারকিপাড়া, গোয়ালন্দ
- ইস্রাফিল (৩), খোকসা, কুষ্টিয়া
- সাফিয়া আক্তার রিন্থি (১২), চর বারকিপাড়া, গোয়ালন্দ
- ফাইজ শাহানূর (১১), কালুখালী, রাজবাড়ী
- তাজবিদ (৭), রাজবাড়ী
- আরমান খান (৩১), গাড়ির চালক, বালিয়াকান্দি, রাজবাড়ী
- নাজমিরা@জেসমিন (৩০), কালুখালী, রাজবাড়ী
- লিমা আক্তার (২৬), রাজবাড়ী সদর
- জোস্ন্যা (৩৫), রাজবাড়ী সদর
- মুক্তা খানম (৩৮), গোপালগঞ্জ
- নাছিমা (৪০), দিনাজপুর
- আয়েশা আক্তার সুমা (৩০), ঢাকা
- সোহা আক্তার (১১), রাজবাড়ী
- আয়েশা সিদ্দিকা (১৩), খোকসা, কুষ্টিয়া
- আরমান (৭ মাস), ঝিনাইদহ
- আব্দুর রহমান (৬), কালুখালী, রাজবাড়ী
- সাবিত হাসান (৮), রাজবাড়ী সদর
- আহনাফ তাহমিদ খান (২৫), রাজবাড়ী সদর
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া দুজনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন একজন। আনুমানিক এখনো ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধারকাজে অংশগ্রহণ করেন।










