ঢাকা ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০১:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ৬২ বার পঠিত

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে। পরবর্তীতে অবস্থা সংকটময় হওয়ায় তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে রাখা হয়েছে। দেশের পাশাপাশি বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা তদারকি করছে।

এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মূল ফটকের সামনে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতালের আশপাশে সাধারণ লোকজনের ভিড় সীমিত রাখা হচ্ছে, যাতে রোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা চলছে, গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান

প্রকাশিত: ০১:০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। একই সঙ্গে তিনি খালেদা জিয়ার চিকিৎসা নিয়ে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরায় এভারকেয়ার হাসপাতালের মূল ফটকের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ফুসফুসে ইনফেকশন ধরা পড়ে। পরবর্তীতে অবস্থা সংকটময় হওয়ায় তাকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ)-তে রাখা হয়েছে। দেশের পাশাপাশি বিদেশি চিকিৎসকদের সমন্বয়ে অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে মেডিকেল বোর্ড তার চিকিৎসা তদারকি করছে।

এই পরিস্থিতিতে হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মূল ফটকের সামনে ব্যারিকেড বসানো হয়েছে এবং নিরাপত্তার স্বার্থে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। হাসপাতালের আশপাশে সাধারণ লোকজনের ভিড় সীমিত রাখা হচ্ছে, যাতে রোগী ও তার পরিবারের সদস্যরা নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।