ঢাকা ০৩:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কড়াইলের ভয়ংকর আগুন কিছু করতে পারেনি মসজিদকে

মো.জোনাব আলী
  • প্রকাশিত: ১২:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / ৫৫ বার পঠিত

বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে। এতে সহায় সম্বলহারা হন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ।রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেড় হাজারের বেশি ঘর-বাড়ি পুড়ে ছাই হলেও অদ্ভুতভাবে অক্ষত রয়েছে বস্তির কেন্দ্রীয় একটি মসজিদ। চারপাশের সবকিছু ভস্মীভূত হলেও মসজিদের দেয়াল, মিনার, এমনকি ভেতরের কার্পেট পর্যন্ত অক্ষত দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার বিকালে লাগা আগুন মুহূর্তেই ভয়াবহ রূপ নেয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বুধবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। তবে আগুন থামাতে না পারা সেই তীব্র তাপমাত্রাও ছুঁতে পারেনি মসজিদটিকে। এলাকাবাসী বলছে, আগুন চারদিক থেকে ঘিরে ধরেছিল, কিন্তু মসজিদের কাছে আসতেই যেন থেমে যায়। এটা আল্লাহর রহমত ছাড়া কিছুই না।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, মসজিদের চারপাশে খোলা জায়গা ও কংক্রিট কাঠামো হওয়ায় আগুন সরাসরি ছড়াতে পারেনি। তবে স্থানীয়দের কাছে এটি এক ধরনের অলৌকিক ঘটনা হিসেবেই দেখা দিয়েছে।

আগুনে নিঃস্ব হয়ে পড়া হাজারো মানুষ আশ্রয়ের অভাবে খোলা আকাশের নিচে থাকলেও অনেকেই মসজিদে বসে দোয়া করছেন এবং আশ্রয় নিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

কড়াইলের ভয়ংকর আগুন কিছু করতে পারেনি মসজিদকে

প্রকাশিত: ১২:২১:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

বারবার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটছে রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে। এতে সহায় সম্বলহারা হন নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষ।রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেড় হাজারের বেশি ঘর-বাড়ি পুড়ে ছাই হলেও অদ্ভুতভাবে অক্ষত রয়েছে বস্তির কেন্দ্রীয় একটি মসজিদ। চারপাশের সবকিছু ভস্মীভূত হলেও মসজিদের দেয়াল, মিনার, এমনকি ভেতরের কার্পেট পর্যন্ত অক্ষত দেখে স্থানীয়রা বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।

মঙ্গলবার বিকালে লাগা আগুন মুহূর্তেই ভয়াবহ রূপ নেয়। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে বুধবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিসের ২০টি ইউনিট। তবে আগুন থামাতে না পারা সেই তীব্র তাপমাত্রাও ছুঁতে পারেনি মসজিদটিকে। এলাকাবাসী বলছে, আগুন চারদিক থেকে ঘিরে ধরেছিল, কিন্তু মসজিদের কাছে আসতেই যেন থেমে যায়। এটা আল্লাহর রহমত ছাড়া কিছুই না।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানান, মসজিদের চারপাশে খোলা জায়গা ও কংক্রিট কাঠামো হওয়ায় আগুন সরাসরি ছড়াতে পারেনি। তবে স্থানীয়দের কাছে এটি এক ধরনের অলৌকিক ঘটনা হিসেবেই দেখা দিয়েছে।

আগুনে নিঃস্ব হয়ে পড়া হাজারো মানুষ আশ্রয়ের অভাবে খোলা আকাশের নিচে থাকলেও অনেকেই মসজিদে বসে দোয়া করছেন এবং আশ্রয় নিয়েছেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ইতোমধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণসহায়তা পৌঁছে দিচ্ছে।