ঢাকা ০৪:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘ফিক্সিং’য়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন সাকিব

 স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ০৩:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৪৫ বার পঠিত

গুরুতর অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবাল। বলেছিলেন, বিসিবির নির্বাচন ‘ফিক্সিং’ করা হয়ে গেছে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন সাকিব।

তামিমের সরে যাওয়া নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার থেকেই। গতকাল ১ অক্টোবর সে গুঞ্জন সত্যি হয়। তামিম সশরীরে এসে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। তিনি ছাড়াও সাইদ ইবরাহিম, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহানুল পাপ্পু, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানি, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাব্বির আহমেদ রুবেল, মীর হেলাল, সিরাজ উদ্দিন আলমগীরদের মতো প্রার্থীরাও নিজেদের সরিয়ে নেন নির্বাচন থেকে।

এরপর এই বিষয়ে তামিম মুখ খোলেন। তিনি বলেন, ‘এখন যারা বিসিবিতে আছেন, তারা যেভাবে ইলেকশন করছেন, সেভাবে তারা জিততেও পারেন। তবে এটা ইলেকশন হচ্ছে না। তবে যাই হয়েছে, আমি একটা কথাই বলব যে ক্রিকেট হেরে গিয়েছে।’

তার অভিযোগ, বিসিবির নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই ‘ফিক্সিং’ করে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা বলেন যে ক্রিকেটে ফিক্সিং বন্ধ করা লাগবে, তাদের বলব, আগে আপনারা নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন। এই নির্বাচন বিসিবির ইতিহাসে একটা কালো দাগ হয়ে থাকবে।’

দেশের ক্রিকেটে না থাকলেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসানের কাছেও বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের খবর খুব একটা দেখা বা পড়া হয় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার জন্য বলা কঠিন আসলে কী হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। যেটা জানি না, সেখানে কিছু বলা ঠিক হবে না।’

সংবাদটি শেয়ার করুন :

‘ফিক্সিং’য়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন সাকিব

প্রকাশিত: ০৩:১৭:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর ২০২৫

গুরুতর অভিযোগ তুলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন তামিম ইকবাল। বলেছিলেন, বিসিবির নির্বাচন ‘ফিক্সিং’ করা হয়ে গেছে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে এই প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন সাকিব।

তামিমের সরে যাওয়া নিয়ে জল্পনা কল্পনা শুরু হয়েছিল মঙ্গলবার থেকেই। গতকাল ১ অক্টোবর সে গুঞ্জন সত্যি হয়। তামিম সশরীরে এসে মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করে নেন। তিনি ছাড়াও সাইদ ইবরাহিম, ইসরাফিল খসরু, রফিকুল ইসলাম বাবু, বোরহানুল পাপ্পু, মাসুদুজ্জামান, আসিফ রব্বানি, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সাব্বির আহমেদ রুবেল, মীর হেলাল, সিরাজ উদ্দিন আলমগীরদের মতো প্রার্থীরাও নিজেদের সরিয়ে নেন নির্বাচন থেকে।

এরপর এই বিষয়ে তামিম মুখ খোলেন। তিনি বলেন, ‘এখন যারা বিসিবিতে আছেন, তারা যেভাবে ইলেকশন করছেন, সেভাবে তারা জিততেও পারেন। তবে এটা ইলেকশন হচ্ছে না। তবে যাই হয়েছে, আমি একটা কথাই বলব যে ক্রিকেট হেরে গিয়েছে।’

তার অভিযোগ, বিসিবির নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই ‘ফিক্সিং’ করে ফেলা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আপনারা বলেন যে ক্রিকেটে ফিক্সিং বন্ধ করা লাগবে, তাদের বলব, আগে আপনারা নির্বাচনের ফিক্সিং বন্ধ করেন। এই নির্বাচন বিসিবির ইতিহাসে একটা কালো দাগ হয়ে থাকবে।’

দেশের ক্রিকেটে না থাকলেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সাকিব আল হাসানের কাছেও বিষয়টি নিয়ে জানতে চাওয়া হয়। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনের খবর খুব একটা দেখা বা পড়া হয় না। স্বাভাবিকভাবেই আমার জন্য বলা কঠিন আসলে কী হচ্ছে। এ বিষয়ে মন্তব্য না করাই ভালো। যেটা জানি না, সেখানে কিছু বলা ঠিক হবে না।’