ঢাকা ০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০০ টাকার ঘুষের অভিযোগে ৩৯ বছর পর হাইকোর্টে নির্দোষ প্রমাণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • প্রকাশিত: ১১:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ৮৫ বার পঠিত

মাত্র ১০০ টাকার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ৩৯ বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্য পরিবহন করপোরেশনের সাবেক বিলিং সহকারী জগেশ্বর প্রসাদ অবস্থি। খবর এনডিটিভি।

১৯৮৬ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে—এক কর্মচারীর বিল নিষ্পত্তির জন্য তিনি ঘুষ দাবি করেছিলেন। ২০০৪ সালে ছত্তিশগড়ের একটি নিম্ন আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করে। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন।

সম্প্রতি ছত্তিশগড় হাইকোর্টের বিচারপতি বিভু দত্ত গুরু রায়ে উল্লেখ করেন, অভিযোগ প্রমাণের মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই। মামলায় কোনো স্বাধীন সাক্ষী ছিল না, ছায়া সাক্ষীও প্রত্যক্ষভাবে ঘুষ দেওয়ার ঘটনা দেখেননি। সরকারি সাক্ষীরাও ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ছিলেন। এমনকি জব্দ হওয়া টাকার অঙ্ক নিয়েও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। উপরন্তু অভিযোগের সময় জগেশ্বর প্রসাদের বিল পাস করার ক্ষমতাই ছিল না।

প্রায় চার দশক পর মুক্তি পেয়ে জগেশ্বর প্রসাদ বলেন, “এই অভিযোগ আমাকে সারা জীবন তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। অবশেষে সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো।”

আইন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, এই মামলা আবারও প্রমাণ করল—ন্যায়বিচার পেতে সময় লাগলেও তা শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন :

১০০ টাকার ঘুষের অভিযোগে ৩৯ বছর পর হাইকোর্টে নির্দোষ প্রমাণ

প্রকাশিত: ১১:৫৯:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মাত্র ১০০ টাকার ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে ৩৯ বছর ধরে আইনি লড়াইয়ের পর অবশেষে নির্দোষ প্রমাণিত হলেন ভারতের মধ্যপ্রদেশ রাজ্য পরিবহন করপোরেশনের সাবেক বিলিং সহকারী জগেশ্বর প্রসাদ অবস্থি। খবর এনডিটিভি।

১৯৮৬ সালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে—এক কর্মচারীর বিল নিষ্পত্তির জন্য তিনি ঘুষ দাবি করেছিলেন। ২০০৪ সালে ছত্তিশগড়ের একটি নিম্ন আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করে। পরে তিনি হাইকোর্টে আপিল করেন।

সম্প্রতি ছত্তিশগড় হাইকোর্টের বিচারপতি বিভু দত্ত গুরু রায়ে উল্লেখ করেন, অভিযোগ প্রমাণের মতো যথেষ্ট প্রমাণ নেই। মামলায় কোনো স্বাধীন সাক্ষী ছিল না, ছায়া সাক্ষীও প্রত্যক্ষভাবে ঘুষ দেওয়ার ঘটনা দেখেননি। সরকারি সাক্ষীরাও ঘটনাস্থল থেকে অনেক দূরে ছিলেন। এমনকি জব্দ হওয়া টাকার অঙ্ক নিয়েও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। উপরন্তু অভিযোগের সময় জগেশ্বর প্রসাদের বিল পাস করার ক্ষমতাই ছিল না।

প্রায় চার দশক পর মুক্তি পেয়ে জগেশ্বর প্রসাদ বলেন, “এই অভিযোগ আমাকে সারা জীবন তাড়িয়ে বেড়িয়েছে। অবশেষে সত্য প্রতিষ্ঠিত হলো।”

আইন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন, এই মামলা আবারও প্রমাণ করল—ন্যায়বিচার পেতে সময় লাগলেও তা শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠিত হয়।