ঢাকা ০৬:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মানিকগঞ্জে ৫ ফুট জমির জন্য রক্তাক্ত সংঘর্ষ, নারীসহ দুইজন হাসপাতালে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: ০৮:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৯২ বার পঠিত

মানিকগঞ্জ মাত্র ৫ ফুট জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আপন ভাতিজি ও ভাতিজাকে কুপিয়ে আহত করেছে চাচা আব্দুল মান্নান।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের কান্দরকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী সালমা আক্তার।

অভিযোগে জানা যায়, জমি নিয়ে সালমা আক্তারের স্বামী আবুল কালাম আজাদ ও ননদ আছমা আক্তারের উপর প্রতিপক্ষ শামছুল হক, তোফাজ্জল হোসেন তোফা ও মান্নানসহ কয়েকজন ধারালো দা, লোহার রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে হামলা চালায়। এতে আবুল কালামের হাতে গুরুতর কাটা জখম হয় এবং আছমা আক্তারের পায়ে হাড়ভাঙা জখম হয়। এ সময় আছমার গলা থেকে স্বর্ণের চেইনও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, “আমার স্বামী এবং ননদকে মারধর করা হয়েছে। বাবার সম্পত্তির নিজস্ব ওয়ারিশান জায়গায় আমার ননদ বাড়ি করতে গেলে আমার স্বামী ও ননদকে মারধর করে এবং জমি নিজেদের বলে দাবি করে। তারা সবসময় হুমকি দিয়ে জমিতে যেতে দেয় না। আজকে আমার স্বামীকে একা পেয়ে আমার চাচা-শ্বশুর মান্নান, তার ছেলে শামছুল হক এবং তোফাজ্জল হোসেন তোফা দলবল নিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে জবাই করে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। স্বামীর চিৎকার শুনে আমার ননদ আছমা আক্তার এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে নীলাফুলা জখম করে। স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিতে গেলে ননদ ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে কেটে রক্তাক্ত জখম হয়।আমার ননদের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা। ”

মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমান উল্লাহ বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

 

সংবাদটি শেয়ার করুন :

মানিকগঞ্জে ৫ ফুট জমির জন্য রক্তাক্ত সংঘর্ষ, নারীসহ দুইজন হাসপাতালে

প্রকাশিত: ০৮:১৯:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

মানিকগঞ্জ মাত্র ৫ ফুট জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে রক্তাক্ত সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আপন ভাতিজি ও ভাতিজাকে কুপিয়ে আহত করেছে চাচা আব্দুল মান্নান।

শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে সদর উপজেলার জাগীর ইউনিয়নের কান্দরকান্দি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আবুল কালাম আজাদের স্ত্রী সালমা আক্তার।

অভিযোগে জানা যায়, জমি নিয়ে সালমা আক্তারের স্বামী আবুল কালাম আজাদ ও ননদ আছমা আক্তারের উপর প্রতিপক্ষ শামছুল হক, তোফাজ্জল হোসেন তোফা ও মান্নানসহ কয়েকজন ধারালো দা, লোহার রড ও কাঠের বাটাম নিয়ে হামলা চালায়। এতে আবুল কালামের হাতে গুরুতর কাটা জখম হয় এবং আছমা আক্তারের পায়ে হাড়ভাঙা জখম হয়। এ সময় আছমার গলা থেকে স্বর্ণের চেইনও ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্ত্রী সালমা আক্তার বলেন, “আমার স্বামী এবং ননদকে মারধর করা হয়েছে। বাবার সম্পত্তির নিজস্ব ওয়ারিশান জায়গায় আমার ননদ বাড়ি করতে গেলে আমার স্বামী ও ননদকে মারধর করে এবং জমি নিজেদের বলে দাবি করে। তারা সবসময় হুমকি দিয়ে জমিতে যেতে দেয় না। আজকে আমার স্বামীকে একা পেয়ে আমার চাচা-শ্বশুর মান্নান, তার ছেলে শামছুল হক এবং তোফাজ্জল হোসেন তোফা দলবল নিয়ে মারধর করে। এক পর্যায়ে জবাই করে হত্যার উদ্দেশ্যে ঘরের ভেতর নিয়ে যায়। স্বামীর চিৎকার শুনে আমার ননদ আছমা আক্তার এগিয়ে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে নীলাফুলা জখম করে। স্বামীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিতে গেলে ননদ ঠেকাতে গিয়ে তার ডান হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলিতে কেটে রক্তাক্ত জখম হয়।আমার ননদের গলা থেকে স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় তারা। ”

মানিকগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমান উল্লাহ বলেন, “তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।”