বালুমহালের পৃষ্ঠপোষক আলী আকবর খান
নদীর তীর ও মানুষের জানমাল রক্ষায় বালু মহালের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছিলাম
- প্রকাশিত: ০৭:৫৩:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ মে ২০২৫
- / ১০৩ বার পঠিত
মানিকগঞ্জের হরিরামপুরে পদ্মা নদীতে বালু মহালের পৃষ্ঠপোষক আলী আকবর খান বলেছেন, ব্যবসা করে লাভবান হওয়ার জন্য পদ্মার বালু কাটিনি, নদীর তীর রক্ষায় দূরে পদ্মার মাঝখান দিয়ে স্রোত প্রবাহের চ্যানেল তৈরি করে এলাকার মানুষের জান-মাল রক্ষায় এ কাজটি করেছিলাম। আমাদের উদ্যোগ সফল হয়েছে। এখন স্রোত মাঝখান দিয়ে যাচ্ছে।
সোমবার (১৯ মে) দুপুরে হরিরামপুরের ধুলশুড়া এলাকায় পদ্মাপাড়ে বালু মহাল ইজারার মেয়াদ শেষ এবং বালু উত্তোলন বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের নিজস্ব কোন বালু মহাল ইজারার লাইসেন্স ছিলোনা এখনো নেই। আবিদ হাসান বিপ্লবের এশিয়ান বিল্ডার্স নামের লাইসেন্সে বালু মহালটি ইজারা নেয়া হয়েছিল। আমরা শুধু অর্থায়ন করেছিলাম। নদীর তীর রক্ষায় সফল হওয়ার পর এ বছর আর বালু মহালের সাথে আমাদের আর সম্পৃক্ততা নেই। কেউ কেউ আমাকে নিয়ে ও আমাদের খান পরিবারের সদস্যদের নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। অনেকেই বলছে, এ বছরও বালু মহালের সাথে আমরা জড়িত আছি। তবে এটি সম্পূর্ণ ভুল। আমি এবং আমার পরিবারের কেউ এ বছর বালু মহালের সাথে সম্পৃক্ত নই।
প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে এই ব্যবসায়ী বলেন, এ বছর যারা বালু মহাল ইজারা নিয়েছে তারা যেন নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই বালু উত্তোলন করেন। নির্ধারিত এলাকার বাইরে অথবা নদীর তীরবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলন করলে নদীর তীর ভেঙে আশপাশের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। মানুষের জানমাল রক্ষায় প্রশাসনের নিয়মিত নজরদারির অনুরোধ জানাই। আর নদীর তীরবর্তী এলাকায় বালু উত্তোলন করলে তীরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিয়ে আমরা বাঁধা দেবো।










