মাদ্রাসার চলাচলের রাস্তা দখলের অভিযোগ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার বিরুদ্ধে
- প্রকাশিত: ১০:১৩:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
- / ১০৭ বার পঠিত
মানিকগঞ্জ সদর থানাধীন জয়রা এলাকায় একটি মসজিদ ও মাদ্রাসার চলাচলের রাস্তা দখলের অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রেজাউল রহমানের বিরুদ্ধে।
জানা যায়, জয়রা এলাকায় অবস্থিত নুরানী কিন্ডারগার্ডেন মাদ্রাসা ও বাইতুর রহমান জামে মসজিদ কমপ্লেক্সে চলাচলের জন্য রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মাণ করে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা রেজাউল রহমান ওরফে জিয়া । যার ফলে শিক্ষার্থী ও মুসল্লীরা মাদ্রাসা-মসজিদে চলাচলের জন্য রাস্তাটি সরু হয়ে গেছে । এতে করে বিপাকে পড়েছেন মাদ্রাসায় অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী এবং নামাজ পরতে আসা মুসল্লীরা। রাস্তাটি সরু হয়ে যাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়াতে ব্যাপক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । এছাড়াও মাদ্রাসায় কোনো রিক্সা-ভ্যান কিংবা গাড়ি আসতে হলে পাশের বাগান বাড়ির রাস্তা দিয়ে আসতে হচ্ছে ।
মাদ্রাসা ও মসজিদ কর্তৃপক্ষ জানান , এভাবে দখলের কারণে মসজিদ মাদ্রাসায় রিক্সা বা ভ্যানে কিছু আনতে হলে পাশের বাগান বাড়ির অন্য গেইট দিয়ে আনতে হয় । আবার অনেক সময় ওই গেইট বন্ধ থাকে সব সময় আনাও যায় না । এছাড়াও শিক্ষার্থীরা একসাথে চলাচল করতে পারে না । এভাবে কোনো নোটিশ ছাড়া জায়গা দখল করে বাউন্ডারি নির্মাণ করা খুব নেক্কারজনক কাজ ।
মসজিদে আসা মুসল্লী আব্দুর রহমান জানান , জুম্মার দিন সহ বিভিন্ন দিনে মসজিদে মুসল্লিদের অনেক ভিড় হয় । এ সময় এই সরু রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করা কষ্টকর হয় বটে , আবার মসজিদে কিছু আনতে গেলে অন্য গেইট দিয়ে আনতে হয় যা প্রায় সময় বন্ধ থাকে ।
মাদ্রাসার শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ বলেন,আমাদের মাদ্রাসায় চলাচলের রাস্তা দখল থাকায় আমাদের চলাচলের জন্য অসুবিধা হয়।একটি সরু রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয় আমাদের।
এ বিষয়ে জমির মালিক গাজী জামিলুর রহমান বলেন, মাদ্রাসা ও মসজিদের চলাচলের জন্য পাশে একটি রাস্তা দিয়েছি। কিন্তু স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জিয়া সেই রাস্তা দখল করে বাউন্ডারি ওয়াল নির্মান করছে।আমাকে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়েছে জিয়া। এরপর আমি মানিকগঞ্জ সদর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি এবং জায়গার বিষয়ে আদালতে মামলা ও করেছি।এ বিষয়ে আমি আইনের দারস্থ হয়েছি এবং আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
এ বিষয়ে জানতে স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা জিয়ার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মেজবাহ উল সাবেরিন বলেন, এটা কোর্টের বিষয়। যেহেতু কোর্টে মামলা আছে কোর্ট রায় নির্ধারণ করবে।










