পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলনের মহোৎসব
- প্রকাশিত: ০২:১৫:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ মার্চ ২০২৫
- / ৬৪ বার পঠিত
নিয়মনীতির কোনো তোয়াক্কা না করেই পদ্মা নদীতে চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। এতে নদীর উভয় তীরের মানুষের ফসলি জমিসহ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। হুমকির মুখে পড়েছেন এলাকবাসী।
ফরিদপুর ও রাজবাড়ী পদ্মা নদীতে বালু উত্তোলন, হুমকির মুখে ফসলি জমিসহ নানা স্থাপনা ইজারাদার নির্ধারিত স্থান থেকে বালি উত্তোলন করছেন না। প্রায় দুই তিন কিলোমিটার দূরে কলাবাগান এবং সিএন্ড বি মোড় চরে পদ্মা নদীর তীরঘেঁষে বালু উত্তোলন করায় ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি। এরই মধ্যে ভাঙন দেখা দিয়েছে নদীপাড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দৌলোদিয়া কলাবাগান ও সিএন্ডবি চরে চারটি ড্রেজার (ভারী খনন যন্ত্র) ও দুটি শ্যালো মেশিন দিয়ে চলছে বালু তোলার কাজ। এতে বাড়িঘর, ফসলি জমি সহ স্কুল, মসজিদ, হাট-বাজার ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়েছে।
রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া এলাকার এক ব্যক্তি নাম গোপন করে বলেন,মেশিন দিয়ে প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বালি উত্তোলন করা হয় এলাকার কেউ বাধা দিতে গেলে মারধরসহ মামলা দিয়ে হয়রানির হুমকি দিচ্ছে বালি উত্তোলনসংশ্লিষ্টরা।
পরিবেশবাদীরা বলছেন, বালি উত্তোলন রোধে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন প্রণয়ন করেছে সরকার। ২০১০ সালে প্রণীত আইন অনুযায়ী সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারেজ, বাঁধ, সড়ক, বন, রেললাইন, বসতভিটাসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার এক কিলোমিটার সীমানার মধ্যে বালি ও মাটি উত্তোলন করা যাবে না। এছাড়া পাম্প বা ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে কোনোভাবেই ভূগর্ভস্থ মাটি ও বালি তোলার অনুমতিও দেবে না সরকার। নদ-নদী থেকে অবৈধভাবে বালি উত্তোলন করা হলে পরিবেশের বিপর্যয় ঘটে। এর খেসারত দিতে হয় স্থানীয় জনসাধারণকে। পাশাপাশি নদীভাঙন, রাস্তাঘাট ভেঙে যাওয়া, নদীর গতিপথের পরিবর্তন ঘটা এবং জলবায়ু ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল আল মামুন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘চর এলাকার মানুষের একটি অভিযোগ পেয়েছি। মানুষের ঘরবাড়ি রক্ষায় বালি উত্তোলনের বিষয়ে দ্রুতই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।










