ঢাকা ০৪:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

‘নিজের জীবনটা নিয়ে ভাবো’— ফেসবুকে মির্জা ফখরুলের কন্যা সামারুহ মির্জা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: ০৪:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০৬ বার পঠিত

বাবার সঙ্গে সামারুহ মির্জা। ছবি : সংগৃহীত

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করে কন্যা সামারুহ মির্জা বলেছেন, এখন সবার উচিত নিজের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বাবার কারাগারে থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন।

সামারুহ লিখেন, জেলখানায় দেখা হলে বাবা নিজের কষ্ট নিয়ে কিছু বলতেন না; বরং আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত তরুণদের কথা বলতেন— “কারও নখ তুলে নিয়েছে, কারও শরীরজুড়ে মারের দাগ!” কেঁদেও ফেলতেন তিনি। তাদের সহায়তার জন্য পরিবারকে টাকা পাঠানোর কথাও বলতেন।

তিনি আরও লেখেন, গত পনেরো বছরে অনেকেই নির্যাতিত হয়েছেন, মাঠে-খেতে, বিলে লুকিয়ে থেকেছেন, জেল খেটেছেন। তাই এখন সময় এসেছে নিজেদের জীবন ও দেশ গড়ার দিকে মনোযোগ দেওয়ার। ক্যারিয়ার গড়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও লিবারেল ডেমোক্রেসির চর্চা করার আহ্বান জানান তিনি।

তার ভাষায়, “মানুষের সেবা করো, কাউকে মারধর করা তোমার কাজ নয়। গণঅভ্যুত্থানের সরকার নিজেকে সামলাক।”

শেষে সামারুহ উল্লেখ করেন— “লাইফে সবচেয়ে জরুরি হলো ইমান আর স্ট্র্যাটেজি। আত্মবিশ্বাসী হলে রাজনীতিও সোজা হবে, তাতেই দলের সবচেয়ে উপকার হবে।”

 

https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=122144101418855528&id=61575665844162&ref=embed_post

সংবাদটি শেয়ার করুন :

‘নিজের জীবনটা নিয়ে ভাবো’— ফেসবুকে মির্জা ফখরুলের কন্যা সামারুহ মির্জা

প্রকাশিত: ০৪:৫৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কারাজীবনের স্মৃতিচারণ করে কন্যা সামারুহ মির্জা বলেছেন, এখন সবার উচিত নিজের জীবন ও ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি বাবার কারাগারে থাকার সময়ের অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন।

সামারুহ লিখেন, জেলখানায় দেখা হলে বাবা নিজের কষ্ট নিয়ে কিছু বলতেন না; বরং আন্দোলনে ক্ষতিগ্রস্ত তরুণদের কথা বলতেন— “কারও নখ তুলে নিয়েছে, কারও শরীরজুড়ে মারের দাগ!” কেঁদেও ফেলতেন তিনি। তাদের সহায়তার জন্য পরিবারকে টাকা পাঠানোর কথাও বলতেন।

তিনি আরও লেখেন, গত পনেরো বছরে অনেকেই নির্যাতিত হয়েছেন, মাঠে-খেতে, বিলে লুকিয়ে থেকেছেন, জেল খেটেছেন। তাই এখন সময় এসেছে নিজেদের জীবন ও দেশ গড়ার দিকে মনোযোগ দেওয়ার। ক্যারিয়ার গড়ে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও লিবারেল ডেমোক্রেসির চর্চা করার আহ্বান জানান তিনি।

তার ভাষায়, “মানুষের সেবা করো, কাউকে মারধর করা তোমার কাজ নয়। গণঅভ্যুত্থানের সরকার নিজেকে সামলাক।”

শেষে সামারুহ উল্লেখ করেন— “লাইফে সবচেয়ে জরুরি হলো ইমান আর স্ট্র্যাটেজি। আত্মবিশ্বাসী হলে রাজনীতিও সোজা হবে, তাতেই দলের সবচেয়ে উপকার হবে।”

 

https://www.facebook.com/permalink.php?story_fbid=122144101418855528&id=61575665844162&ref=embed_post